ঢাকামঙ্গলবার , ২ জুন ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আইন ও পরামর্শ
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম
  8. কবিতা
  9. কর্পোরেট
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. চট্টগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ও ঘাটতি কত?

অনলাইন ডেস্ক
জুন ২, ২০২৬ ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

 

দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ও ঘাটতি কত?

বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মোট সক্ষমতা প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াট। তবে বাস্তবে চাহিদা এর চেয়ে অনেক কম থাকে বলে জানিয়েছেন পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান।

 

তিনি বলেন, ‘বিদ্যুতের চাহিদা সাধারণত ১৭ হাজার মেগাওয়াটের আশপাশে থাকে। তবে এটি আবহাওয়া, মৌসুম এবং অন্যান্য বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে ওঠানামা করে।’

 

তবে বর্তমানে দেশে গড়ে ১৫ থেকে ১৬ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা সরকারের রয়েছে।

 

মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান বলেন, আমরা চাইলে আরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারি।

 

সেই সক্ষমতা আমাদের আছে। কিন্তু আর্থিক কারণে সব সক্ষমতা ব্যবহার করা হচ্ছে না। কারণ তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালাতে অনেক বেশি খরচ হয়। সেটা আমাদের জন্য বাস্তবসম্মত না।

তিনি জানান, বিদ্যুতের চাহিদা পুরোপুরি মেটাতে ব্যয়বহুল তেলভিত্তিক কেন্দ্র বেশি চালাতে হলে সরকারের ভর্তুকির পরিমাণ আরও বাড়বে।

 

সামগ্রিক কারণে ঘাটতির পরিমাণও একেক দিন একেক রকম হয় উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, কোনো কোনো সময় আবহাওয়াগত কারণে, বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণ বা অন্য কারণে বন্ধ থাকলেও সাময়িকভাবে সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হতে পারে।

 

যদিও কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলম বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ঘাটতির প্রকৃত চিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

 

তার ধারণা, বর্তমানে দেশে তিন হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি ঘাটতি থাকতে পারে। তবে পাওয়ার সেলের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে দৃশ্যমান ঘাটতি কয়েকশ মেগাওয়াটের মধ্যে ছিল।

 

কারণ, গত ২০ মে রাত ৯টায় দেশে ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। এটি হলো এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড।

 

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ (পিজিবি)-এর তথ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওই সময়ে দেশব্যাপী মোট বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৮৯৭ মেগাওয়াট। তবে সরবরাহ করা হয়েছিল ১৬ হাজার ৫০৫ মেগাওয়াট, ফলে ৩৯২ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়।

 

এম শামসুল আলম বলেন, কোনো একটি নির্দিষ্ট সময়ে কত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে, সেটি দিয়ে সামগ্রিক চাহিদা ও সরবরাহ পরিস্থিতি পুরোপুরি বোঝা যায় না।

 

তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট মুহূর্তে ১৭ হাজার বা ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট উৎপাদন হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু সেটি দিয়ে প্রকৃত চাহিদা কত ছিল এবং কতটা সরবরাহ করা গেছে,

সেই পুরো চিত্র পাওয়া যায় না।

 

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দৈনিক ঢাকার সময়: দেশ এবং দেশের বাহিরে প্রতিটি জেলা, উপজেলা,থানা পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। আগ্রহীগন যোগাযোগ করুন 01811-441416, 01712912240 আপনার সিভি পাঠান - মেইল: thedhakarsomoy79@gmail.com shahinsalman99@gmail.com এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।