মুন্সিগঞ্জের বিশিষ্ট শিল্পপতি সঙ্গে মিরকাদিমের মেয়র পদপ্রার্থী শামসু রহমান সাক্ষাৎ
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি মোঃ সুজন বেপারী - মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট শিল্পপতি সিআইপি জনাব মোঃ মোশারফ হোসেন পুস্তি সাহেবের সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ বিনিময় করেন মিরকাদিমের পৌর বিএনপি নেতা জনাব মোঃ শামসু রহমান।
এ-সময় সাক্ষাৎকালে বিশিষ্ট শিল্পপতি সিআইপি জনাব মোঃ মোশারফ হোসেন পুস্তি সাহেব কার্যালয়ে উপস্থিতি ছিলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মোঃ শহিদুল্লাহ্ ও মিরকাদিম পৌর বিএনপি নেতা জনাব শামসু রহমান এছাড়াও সাংবাদিক মোঃ সুজন বেপারী।
মিরকাদিম পৌর নির্যাতিত বিএনপি নেতা মো. শামসুর রহমান বলেন, ২০১২ সালের শনিবার প্রায় ৮ কোটি টাকার একটি বাড়ির দখল নিয়ে আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে তোলপাড় করেছিলো গোপাল নগর এলাকায় ওই পালবাড়ি দখলে নেয় শহিদুল ইসলাম শাহিনের সন্ত্রাসী লোকজন।
পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র শহিদুল ইসলাম শাহিনের আমেরিকা প্রবাসী শ্বশুর বশির উদ্দিন এ বাড়ির মালিক বলে দাবি করা হয়েছে বলে শাহিনের নেতৃত্ব সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ওই বাড়ির ভাড়াটে সংখ্যালঘু ১৮ টি পরিবারকে উচ্ছেদ, ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে বাড়িটির দখল নেওয়া হয়। এ সময় ২০ জন আহত হন।
ওই পালবাড়িতে সকাল ১১ টার দিকে সাবেক পৌর মেয়র শাহীনের শতাধিক সন্ত্রাসী লোকজন ১০৪ শতক সম্পত্তিজুড়ে থাকা ওই বাড়িতে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে উচ্ছেদ করতে যায়। এতে বাধা দিলে উচ্ছেদকারীদের এলোপাতাড়ি লাঠিপেটায় শিশির পাল, নুকুল পাল, উত্তম সাহা, তপন সাহাসহ, সংখ্যালঘু ওই ১৮ পরিবারের ২০ জন নারী- পুরুষ আহত হন।
পরিবারগুলোর দাবি তাদের প্রায় ১শ’ ভরি স্বর্ণালংকার লুট ও কয়েক লাখ টাকার আসবাবপত্র ভাংচুর করা হয়। এসময় বাড়িটির অপর মালিকানা দাবিদার সামসু রহমানের ঘরে থাকা আসবাবপত্র ও মূল্যবান কাগজপত্রে অগ্নিসংযোগ করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
নুকুল পাল, উত্তম সাহা, ও কালাই পাল জানান,স্থানীয় সারওয়ার উদ্দীন ও সামসু রহমানের কাছ থেকে বাড়িটি ভাড়া নিয়ে ১৮ টি পরিবার বসবাস করে আসছে দুই বন্ধু সারওয়ার ও সামসু রহমান এ বাড়ি কিনেছেন বলে ভাড়াটেরা জানেন।
এছাড়াও বিএনপি নেতা শামসু রহমান তিনি আরও বলেন, মিরকাদিম পৌরসভায় স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র শহিদুল ইসলাম শাহিনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কায়েম অত্যাচার, দুর্নীতি, গুম, খুন, চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি, দখলবাজি, ক্যাডার বাহিনী নিয়ন্ত্রন,অনিয়মসহ নিজ দলের রাজনীতিবিদদের ঘায়েল প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা, অস্ত্র বানিজ্য, ধর্ষণ অপহরণ নানা এমন কোন অপকর্ম তারা করেননি রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন ও সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় সন্ত্রাস আর ত্রাসের পেশির জোরে প্রাচ্যের ড্যান্ডি খ্যাত শহিদুল ইসলাম শাহিন দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন সরকার পতনের পর আত্মগোপনে রয়েছেন।