দৈনিক ঢাকার সময়ের নাম ও লোগো ব্যবহার করে ভুয়া ফটোকার্ড ও ই-পেপার তৈরি এবং ফেসবুকে ছড়ানোর অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার :
দৈনিক ঢাকার সময় পত্রিকার নাম, লোগো ও ঠিকানা ব্যবহার করে ভুয়া ফটো কার্ড এবং অনলাইন ই-পেপার তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছেন এক দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক।
, অভিযুক্ত ব্যক্তি দৈনিক ঢাকার সময় ও রূপসী বাংলায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শিরোনাম ব্যবহার করে সম্পূর্ণ এডিট করা ভুয়া ফটো কার্ড ও ই-পেপার তৈরি করেন। এসব ভুয়া কনটেন্টে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেন তা দৈনিক ঢাকার সময় পত্রিকায় প্রকাশিত সত্য সংবাদ—যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে।
উক্ত ফটো কার্ড ও ই-পেপারের সঙ্গে দৈনিক ঢাকার সময় পত্রিকার কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই। পত্রিকার কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে—এ ধরনের কোনো সংবাদ দৈনিক ঢাকার সময়ে প্রকাশিত হয়নি এবং এটি একটি পরিকল্পিত গুজব ও অপপ্রচার।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আজাহার মিয়া তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সার্ভিস বুক জালিয়াতির অভিযোগ থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের ভুয়া সংবাদ তৈরি ও প্রচার করছেন। তিনি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করতে গিয়ে গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করার মতো জঘন্য কাজে লিপ্ত হয়েছেন।
এ বিষয়ে দৈনিক ঢাকার সময় পত্রিকার পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, দৈনিক ঢাকার সময় পত্রিকার ফেসবুক পেজ এবং অনলাইন ওয়েব সাইটে এর কোন দালিলিক প্রমাণ নেই।
“এই ভুয়া ফটো কার্ড ও ই-পেপারের সঙ্গে দৈনিক ঢাকার সময় পত্রিকার কোনো দায় বা সম্পৃক্ততা নেই। আমাদের নাম, লোগো ও ঠিকানা অবৈধভাবে ব্যবহার করে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সচেতন মহল মনে করছেন, এ ধরনের ভুয়া সংবাদ ও গুজব রোধে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। একই সঙ্গে সাধারণ জনগণকে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো সংবাদ বিশ্বাস বা শেয়ার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
দৈনিক ঢাকার সময় পত্রিকা শুধুমাত্র নিজস্ব ওয়েবসাইট এবং নিজস্ব অফিসিয়াল ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করে। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আজাহার মিয়ার নামে প্রচারিত তথাকথিত প্রতিবাদী সংবাদটি দৈনিক ঢাকার সময়ের নিজস্ব ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজের কোথাও প্রকাশিত হয়নি। এ সংক্রান্ত কোনো অফিসিয়াল পোস্ট, লিংক কিংবা নির্ভরযোগ্য প্রমাণও এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
বিঃদ্রঃ যদি ঢাকার সময় পত্রিকা থেকে প্রতিবাদ সংবাদ প্রকাশিত হতো তাহলে তাহা নিজস্ব ওয়েবসাইটে এবং ফেসবুক পেজে বিদ্যমান থাকতো। এবং পূর্বের দুর্নীতির তথ্য ডিলেট করা হতো। কিন্তু তাহার পূর্বের দূর্নীতির ভিডিও সংবাদ, পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ এখনো দৈনিক ঢাকার সময় পত্রিকার ওয়েব সাইটে এবং ফেসবুক পেজে বিদ্যমান রয়েছে